Loading...
আমি বিভিন্ন দ্বীনী মাদরাসার জন্য সাধারণ দান, যাকাত-ফিতরা ইত্যাদির টাকা কালেকশন করে থাকি। দেশ ও দেশের বাহির থেকে অনেকেই আমার বিকাশ/নগদ একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে বহু লোক আমার মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টে যাকাত-ফিতরার টাকা পাঠান। আবার আমার নিজস্ব টাকাও জমা থাকে। সাধারণত বিকাশ থেকে টাকা ক্যাশ করতে চাইলে হাজারে ১৭.৫০ টাকা আর নগদে ১২.৫০ টাকা খরচ হয়। এখানে কয়েকটি বিষয় জানার রয়েছে : ১. অনেক মানুষ এমন আছেন, যারা বিকাশে টাকা পাঠাতে যে খরচ হয় তা দেন না। অনেকের কাছে এ খরচের টাকার কথা বলা যথেষ্ট মুশকিল বা অসম্ভব। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে এমনও মনে হয় যে, যদি তার কাছে সঠিক মাসআলা বলে ক্যাশআউটের টাকা চাওয়া হয় তাহলে সে পুনরায় মাদরাসায় দান তো করবেই না, আবার এমন কোনো কথাও বলে ফেলতে পারে, যা তার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। এখন প্রশ্ন হল, এরকম লোক যদি বিকাশের মাধ্যমে আমার মোবাইলে ৫০০০ টাকা পাঠায় তাহলে এ টাকার ক্যাশআউট খরচ ৮৭.৫ টাকা কে দেবে? ২. কেউ কেউ আবর ক্যাশআউটের টাকা দিয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন হচ্ছে যে, একজন উদাহরণস্বরূপ তার যাকাত ৫০০০ টাকা। সে আমার একাউন্টে খরচসহ ৫১০০ টাকা পাঠাল। এখানে খরচ হয় মূলত ৮৭.৫০ টকা। এক্ষেত্রে বাকি ১২.৫ টাকার কী হবে? ৩. কারো যাকাত ৫০০০ টাকা। সে আমার বিকাশ একাউন্টে ৫১০০ টাকা পাঠাল। দেখা গেল, ঐ মুহূর্তে আরেকজনের বিকাশের টাকা অন্যত্র পাঠানোর প্রয়োজন। সে আমার থেকে ৫০০০ টাকা সেন্ড মানি করালো। সেক্ষেত্রে আমার খরচ হল মাত্র পাঁচ টাকা। আমি দোকানে গিয়ে যদি ক্যাশআউট করতাম তাহলে আমার খরচ হতো, ৮৭.৫ টাকা। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে সেন্ড মানি করার কারণে আমার খরচ হল পাঁচ টাকা বা সর্বোচ্চ দশ টাকা। জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে বাকি ৯০-৯৫ টাকার মালিক কে? এ টাকার ক্ষেত্রে আমার করণীয় কী? প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, যে খরচসহ টাকা পাঠায় সে ধরেই নেয় যে আমার ক্যাশআউট করতে খরচ হবেই। কিন্তু এখানে আমি সেন্ড মানি বা নিজের প্রয়োজনে খরচ করার কারণে খরচ লাগে না। এক্ষেত্রে কি আমি মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে ৫০০০ টাকা দিয়ে দিলেই হবে? বি. দ্র. আমার লেনদেন এত বেশি হয় যে, যদি বলা হয় যে, যিনি কম দিয়েছেন তার কম টাকার রশিদ এবং যিনি বেশি দিয়েছেন তার বেশি টাকার রশিদ কাটা হবে তাহলে তা অসম্ভব। | প্রশ্ন-উত্তর